নতুন বিবাহ নিবন্ধন
বাংলা ও ইংরেজি ম্যারেজ সার্টিফিকেট দেওয়া হয়
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বিধিমালা, ২০১৩-এর বিধি ২২(১)(ক) অনুযায়ী বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন ও ম্যারেজ সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।
জিতু রায় · হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক, মুন্সীগঞ্জ সদর ও গজারিয়া উপজেলা
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত। দালাল ছাড়া সরাসরি, আইন অনুযায়ী আপনার বিবাহ নিবন্ধন করুন।
নিবন্ধক পরিচিতি
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকমুন্সীগঞ্জ সদর ও গজারিয়া উপজেলা, মুন্সীগঞ্জ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হিন্দু বিবাহ রেজিস্ট্রেশনের জন্য একটি বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান।
এখানে ম্যারেজ সার্টিফিকেট, নোটারি পাবলিক/কোর্ট ম্যারেজ, এপোস্টিল/ মিনিস্ট্রি করা হয়।
আমাদের সেবা
বাংলা ও ইংরেজি ম্যারেজ সার্টিফিকেট দেওয়া হয়
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বিধিমালা, ২০১৩-এর বিধি ২২(১)(ক) অনুযায়ী বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন ও ম্যারেজ সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।
আগে বিয়ে হয়েছে, নিবন্ধন হয়নি? এখনই করা যায়
পূর্বে সম্পন্ন হওয়া বিবাহের প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র যাচাই সাপেক্ষে বিবাহ নিবন্ধন সংক্রান্ত সেবা প্রদান করা হয়।
আইন মেনে নির্ভুল কাগজপত্র ও আইনসম্মত প্রক্রিয়া
কোর্ট ম্যারেজ, এফিডেভিট ও নোটারি পাবলিক-সংক্রান্ত কাজে আগ্রহী নারী-পুরুষদের জন্য প্রযোজ্য আইন ও বিধিবিধান অনুসরণ করে নির্ভুল কাগজপত্র প্রস্তুত এবং আইনসম্মত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হয়।
বিদেশে ব্যবহারের জন্য বিয়ের সনদ সত্যায়ন
আইন মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ই-অ্যাপোস্টিল, ফরেন মিনিস্ট্রি অ্যাটেস্টেশন এবং অনলাইনভিত্তিক প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।
ধর্মীয় রীতি মেনে বিয়ে, সাথে সাথে নিবন্ধন
নতুন বিবাহের নিবন্ধন, কোর্ট ম্যারেজ, নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিটসহ প্রয়োজনীয় নিবন্ধন সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।
বাংলাদেশি ও বিদেশি পাত্র-পাত্রীর বিয়ে ও নিবন্ধন
বাংলাদেশি ও বিদেশি নাগরিক (যেমন: ভারতীয়) পাত্র-পাত্রীর মধ্যে হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী বিবাহ সম্পন্ন করা হয় এবং পাসপোর্টসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই সাপেক্ষে বিবাহ নিবন্ধন করা হয়। বিদেশে ব্যবহারের জন্য সনদ সত্যায়ন ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রমেও সহযোগিতা করা হয়।
মন্দিরে পুরোহিত দিয়ে বিয়ের সব আয়োজন করে দেওয়া হয়
নতুন বিবাহের জন্য মন্দিরে পুরোহিতের মাধ্যমে বিবাহ সম্পন্ন করাসহ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার সহযোগিতা প্রদান করা হয়।
কী কাগজ লাগবে, কীভাবে করবেন — সব জানানো হয়
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, প্রক্রিয়া ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করা হয়।
ধাপে ধাপে
বর ও কনে নিবন্ধকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে নির্ধারিত নিয়মে আবেদন করবেন।
দাখিল করা কাগজপত্র ও তথ্য নিবন্ধক যাচাই করবেন।
বিবাহের তথ্য, বর-কনের পরিচয় ও দাখিলকৃত তথ্য যাচাই-বাছাই করা হবে।
আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী সাক্ষী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতি ও পরিচয় যাচাই।
নির্ধারিত পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর গ্রহণ।
সরকারি বিবাহ নিবন্ধন বহিতে বিবাহের তথ্য নিবন্ধন করা হবে।
বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় বিবাহ নিবন্ধন সনদ / ম্যারেজ সার্টিফিকেট প্রদান।
গুরুত্বপূর্ণ: উপরের প্রক্রিয়াটি সাধারণ নির্দেশনা। প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইন, বিধিমালা, সরকারি নির্দেশনা ও যাচাইযোগ্য নথির ভিত্তিতে কার্যক্রম নির্ধারিত হবে; প্রয়োজনে অতিরিক্ত কাগজপত্র বা যাচাই লাগতে পারে।
প্রস্তুতি
সরকারিভাবে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনের জন্য যা যা লাগবে
স্বামী ও স্ত্রীর পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), জন্ম নিবন্ধন অথবা এসএসসি পরীক্ষার সনদের ফটোকপি জমা দিতে হবে।
নিবন্ধনের দিন সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্রের মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে। পরবর্তীতে বয়স প্রমাণের জন্য সরকারি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সকল তথ্য অনলাইনে যাচাই করা হবে।
ছবি জমা দিতে হবে:
বিবাহের দিন, তারিখ, সাল ও লগ্ন উল্লেখ করে বিবাহ সম্পাদনকারী পুরোহিতের স্বাক্ষর ও নামের সিলযুক্ত লিখিত সনদের ফটোকপি জমা দিতে হবে।
নিবন্ধনের দিন স্বামী-স্ত্রীকে ২ (দুই) জন সাক্ষীসহ স্বশরীরে হিন্দু বিবাহ রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে উপস্থিত হতে হবে। এরপর সরকারিভাবে বিবাহ নিবন্ধনের জন্য হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের বরাবর একটি লিখিত আবেদন জমা দিতে হবে। এরপর সরকার নির্ধারিত বিবাহ নিবন্ধন বহিতে স্বামী-স্ত্রী ও সাক্ষীগণ স্বাক্ষর করবেন।
আশীর্বাদের তারিখ, বিবাহের তারিখ, বিবাহের স্থান
শীল (নাপিত)-এর নাম, বিবাহ সম্পাদনকারী ব্রাহ্মণের নাম, কন্যা সম্প্রদানকারীর নাম (বাংলা ও ইংরেজিতে)
সাক্ষী হিসেবে বরপক্ষের উপস্থিত একজন গণ্যমান্য ব্যক্তির ও কনেপক্ষের উপস্থিত একজন গণ্যমান্য ব্যক্তির নাম ও পূর্ণ ঠিকানা (বাংলা ও ইংরেজিতে)।
সাক্ষী হিসেবে পরিবার-স্বজন, প্রতিবেশী, এলাকাবাসী থাকতে পারবেন।
প্রতিটি হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনের তথ্য সরকারি নিবন্ধন বহিতে সংরক্ষিত থাকে। পরবর্তীতে আপনি যখন বিবাহ নিবন্ধনের সনদ পাসপোর্ট অফিস, নির্বাচন কমিশন, আদালত বা বিদেশি দূতাবাসসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জমা দেবেন, তখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে আপনার অজান্তেই হিন্দু বিবাহ রেজিস্ট্রারের কার্যালয় থেকে নিবন্ধনের তথ্য ও কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে থাকে। অতএব, দালালের খপ্পরে না পড়ে সরকারি আইন অনুযায়ী হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন করুন। আপনার বিবাহের আইনগত স্বীকৃতি, নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করুন।
ভিডিওতে দেখুন
আমাদের মুহূর্ত
জিজ্ঞাসা
কোনো প্রশ্ন পাওয়া যায়নি। সরাসরি কল বা WhatsApp করুন।
যোগাযোগ